উপন্যাস পর্ব \"নয়\" তুমি প্রথম তুমি শেষআফছানা খানম অথৈবৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ—এই দুই মাস গ্রীষ্মকাল। এ সময় রবি শস্যের ভরা মৌসুম। বিশেষ করে কৃষকদের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। রবি শস্য শুকানো, বীজ সংরক্ষণ, ফসল ঘরে তোলা—সব মিলিয়ে ব্যস্ততার শেষ থাকে না।পারু সবার বড়। তাই সংসারের দেখাশোনা থেকে শুরু করে নানা দায়িত্ব তাকে একাই সামলাতে হয়। এ কারণে মাঝেমধ্যে তাকে কলেজ কামাই করতে হয়।গ্রামের আট-দশটা মেয়ের মতো পারু অকর্মণ্য, অপদার্থ কিংবা অসভ্য নয়। অনেক মেয়ে পড়াশোনার নাম করে অকারণে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। অভিভাবকেরা কিছু বললে উল্টো রাগ দেখায়, কড়া ভাষায় জবাব দেয়। তাদের যুক্তি—এটাই নাকি আধুনিক যুগের ফ্যাশন!অভিভাবকেরাও একসময় চুপ করে যান।এভাবেই চলতে চলতে কেউ কেউ একসময় এমন এক জগতে পা বাড়ায়, যেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন অভিভাবকদের শত শাসন, অনুশাসন কিংবা কান্নাকাটিও কোনো কাজে আসে না। কারণ ততক্ষণে তারা নির্দিষ্ট সীমারেখা অতিক্রম করে ফেলেছে।তখনই অভিভাবকদের মুখে আফসোসের সুর শোনা যায়——কেন যে মেয়েটাকে পড়াতে গেলাম! কী ভুলটাই না করলাম!কিন্তু শিক্ষা কখনো অপরাধের কারণ হতে পারে না। শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করার জন্য, অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার জন্য নয়। সন্তানের প্রতি অভিভাবকদের দায়িত্ব হলো তাকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা এবং নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সঠিক-বেঠিকের পার্থক্য শেখানো।দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান সময়ে অনেক অভিভাবক সন্তানের শিক্ষার চেয়ে বাহ্যিক চাকচিক্য, আধুনিকতার নামে বেহিসেবি চলাফেরা এবং অনুকরণকে বেশি গুরুত্ব দেন। অথচ সন্তানকে শুধু শিক্ষিত করলেই হয় না, তাকে মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে হয়।শিক্ষা শান্তি, শিক্ষা প্রগতি—এটাই শিক্ষার মূলনীতি।অপশিক্ষা কিংবা ভুল পরিবেশের জন্য শিক্ষাকে দায়ী করা কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়।পারুর বাবা ম্যাট্রিক পাস। মা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। উচ্চশিক্ষার সুযোগ তাদের হয়নি। তাই মেয়েকে পড়াশোনা করিয়ে মানুষের মতো মানুষ করার প্রতি তাদের অফুরন্ত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।পারুকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করবেন—এটাই তাদের স্বপ্ন।কিন্তু অভাব আর মাতব্বরের শোষণের কাছে তারা অনেকটাই জিম্মি।পারুর লেখাপড়ার প্রতি গভীর মনোযোগ। পাশাপাশি মা-বাবার প্রতি তার রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।কয়েক দিন কলেজে অনুপস্থিত থাকার পর আজ সে আবার কলেজে এসেছে। কিন্তু আজ তার চেহারায় সেই চিরচেনা প্রাণচাঞ্চল্য নেই। কেমন যেন নীরব, নিস্তব্ধ হয়ে বসে আছে।যোবেদা ও মুক্তা এগিয়ে এসে তাকে ঘিরে দাঁড়াল।—পারু, কখন এলি?—এই তো কিছুক্ষণ হলো।যোবেদা পারুর মুখের দিকে তাকিয়ে বলল——পারু, তোকে এমন দেখাচ্ছে কেন? কী হয়েছে?—কিছু হয়নি। আমি ভালো আছি।মুক্তা মুচকি হেসে বলল——‘ভালো’ শব্দটা মুখে উচ্চারণ করলেই তো ভালো থাকা যায় না। তোর চেহারাই প্রমাণ করছে, তোর কিছু একটা হয়েছে। সত্যি করে বল তো, কী হয়েছে?এবার মুক্তা যোবেদার দিকে তাকিয়ে বলল——যোবেদা, তুই ফেল!—ওকে, মানলাম। এবার তুই বল, তার কী হয়েছে?—আরে, খুব সহজ উত্তর! নিলয় ভাইয়া চলে গেছে, তাই তাকে মনের অসুখে ধরেছে।—ওহ! সিউর! আমি তো একথা ভুলেই গিয়েছিলাম। পাছে ভাবলাম অন্য কিছু!যোবেদা মজা করে বলল——সই, বিয়ে না হতেই এত উতলা হওয়ার কী আছে?পারু কিছুক্ষণ নীরব থাকল। তারপর দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল,—তোরা যা ভেবেছিলি, তা নিয়ে আমি মোটেও টেনশন ফিল করিনি।—তাহলে তোকে এত মনমরা লাগছে কেন?—সে অন্য কারণ। তোরা বুঝবি না।—বলিস কী! বিষয়টা এতই জটিল?—জটিল না, খুব সহজ।—তাহলে ভণিতা না করে তাড়াতাড়ি বল।পারু কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল——বললে কি তোরা আমার সমস্যার সমাধান দিতে পারবি?মুক্তা সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল——আরে বাবা, আগে বল! তারপর ভেবে দেখব কী করা যায়।পারু একটু ইতস্তত করে বলল——বিষয়টা আমাদের পারিবারিক। তোদের না শোনালেই ভালো।যোবেদা এবার অভিমানী স্বরে বলল——পারু, তুই যে কী বলিস! আমরা কি তোর পর? ভণিতা না করে তাড়াতাড়ি বল, কী হয়েছে।পারু আবারও দীর্ঘশ্বাস ফেলল।—যোবেদা, আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় জমিজমা অনেক কম। তাই আমাদের পরিবার মাতব্বর চাচার শোষণের শিকার। বাবাই একমাত্র উপার্জন করেন। সংসারের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে গিয়ে অনেক সময় মাতব্বর চাচার কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয়। ফসল ওঠার পর সুদে-আসলে সেই ঋণ পরিশোধ করতে গেলে বাবার হাতে আর কিছুই থাকে না।পারুর কণ্ঠ ভারী হয়ে এল।—তাই ভাবছি, ফরম ফিলাপের সময় যদি বাবার হাতে টাকা না থাকে, তাহলে আমার ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়া অসম্ভব হয়ে যাবে। এসব চিন্তাই আমার মন খারাপের কারণ।এবার দুই বান্ধবী একসঙ্গে বলে উঠল——সত্যিই তো! ব্যাপারটা খুবই সিরিয়াস। মাতব্বর চাচার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করা দরকার।পারু মলিন হেসে বলল——পুলিশে দিলেও কোনো লাভ হবে না। টাকা দিয়ে ঠিকই পার পেয়ে যাবে। আমাদের দেশের কিছু মানুষ টাকা পেলে জটিল বিষয়কেও সহজ করে ফেলে। গরিবের কথা শোনার সময় তাদের কোথায়?যোবেদা ক্ষুব্ধ হয়ে বলল——পারু, তুই ঠিকই বলেছিস। সরকারি অফিসে বসে ন্যায়বিচার করার কথা, অথচ কেউ কেউ ঘুষের টাকায় নিজের পকেট ভারী করতে ব্যস্ত। তুই এসব নিয়ে মন খারাপ করিস না। সময়মতো আল্লাহ একটা ব্যবস্থা করবেন। তাছাড়া আমরাও তো আছি। কোনোভাবেই তোর পরীক্ষা মিস হতে দেব না। এখন আর কোনো টেনশন নয়। চল, ক্লাসে যাই।চতুর্থ বিষয়ের পর বিরতি হলো। সবাই হাসি-তামাশায় মেতে উঠল।কিন্তু প্রতিদিনের হাসি-আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর চঞ্চলতায় ভরা যোবেদা আজ এক কোণে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে। জানালার পাশে হেলান দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে সে।দক্ষিণা মৃদু বাতাসে তার কৃষ্ণকালো চুলগুলো এলোমেলো হয়ে দুলছে। অথচ সেদিকে তার কোনো খেয়াল নেই।যোবেদার স্বপ্ন ছিল—সে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। নিজের পছন্দমতো একজন শিক্ষিত পুরুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবে। কিন্তু আজ তার সেই স্বপ্নগুলো একে একে ভেঙে পড়ছে।বাস্তবতার কাছে সে যেন পরাজিত।প্রতিবাদ করার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও কিছুই করতে পারছে না।আজ তার কিছুই ভালো লাগছে না। বান্ধবীদের গল্পের অংশীদার হয়ে হাসি-আনন্দে মেতে উঠতেও ইচ্ছে করছে না।গল্প করতে করতে হঠাৎ পারুর চোখ যোবেদার দিকে গেল। তার বিমর্ষ চেহারা দেখে পারু অবাক হয়ে বলল——মুক্তা, যোবেদা এত চুপচাপ কেন? ওকে তো কখনো এতক্ষণ মুখ বন্ধ করে থাকতে দেখিনি। প্রেমে-টেমে পড়েছে নাকি?মুক্তা মুচকি হেসে বলল——পারু, তোকে তো বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম! এক বান্ধবীর বিরহযন্ত্রণা, আরেক বান্ধবীর বিয়ে—সব মিলিয়ে কী মজার ব্যাপার! আমার তো খুব খুশি খুশি লাগছে।পারু অবাক হয়ে বলল——খুব ভালো খবর! মুক্তা, এই খুশির খবরটা এতক্ষণ দিলি না কেন?—এতক্ষণ বলিনি, তাতে কী হয়েছে? এখন তো বললাম। দেখছিস না, বিয়ে না হতেই প্রিয়জনকে নিয়ে প্রেমের মহাসমুদ্রে ডুবে আছে!যোবেদা মুখ গোমড়া করে বলল——নাগর না আসতেই এত কিছু! বিয়ে হলে তো আমাদের কাছেই ঘেঁষতে দেবে না।—ঠিক বলেছিস!কথার ফাঁকে তারা দুজন খিলখিল করে হেসে উঠল।তাদের হাসির শব্দে যোবেদার নীরবতা ভাঙল।সে মোলায়েম কণ্ঠে বলল——কিরে, তোরা হাসছিস কেন?পারু চুপ করে রইল। মুক্তা বলল——এমনি।যোবেদা এবার কিছুটা রাগের স্বরে বলল——এমনি কেউ হাসে? নিশ্চয়ই আমাকে নিয়ে হাসছিস!মুক্তা হেসে বলল——সরি যোবেদা। তুই যা ভেবেছিস, তা নয়। তোর বিয়ে, অথচ তুই হাসিখুশি থাকবি না? মুখ গোমড়া করে বসে আছিস কেন?যোবেদা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল——এর মানে তোরা শুনতে চাস?পারু ও মুক্তা একসঙ্গে বলল——হ্যাঁ, চাই।যোবেদা গভীর নিঃশ্বাস নিয়ে বলতে শুরু করল——আমি সবেমাত্র সতেরো বছর বয়সে পা দিয়েছি। আঠারো হতে এখনো এক বছর বাকি। অথচ আমার বাবা আমাকে বিয়ে দিতে যাচ্ছেন পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সী এক পুরুষের সঙ্গে। এত বয়সের ব্যবধান কি মেনে নেওয়া যায়?সে কিছুক্ষণ থামল। তারপর ক্ষোভের সঙ্গে বলল——তার ওপর সে প্রবাসী এবং অশিক্ষিত। প্রবাসী পুরুষকে বিয়ে করা আমার একদমই পছন্দ নয়। কারণ তাদের সঙ্গে বিয়ে হওয়া আর না হওয়া যেন একই কথা। বিয়ের পরপরই তারা বিদেশ চলে যায়। সুখ-দুঃখে পাশে পাওয়া যায় না। স্ত্রীকে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর একা কাটাতে হয়।যোবেদার চোখে তখন অশ্রু চিকচিক করছে।—কী যে যন্ত্রণা! অথচ মুখ ফুটে কাউকে কিছু বলাও যায় না। শুধু তাই নয়, খুব সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। একটু ভুল-ত্রুটি হলেই সারা জীবন কলঙ্কের বোঝা বইতে হয়। সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর মুখ থাকে না। মানুষ নিজের মতো করে গল্প বানায়, নোংরা কথা বলে। অথচ কেউ জানতে চায় না—একজন মেয়ের ভেতরে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে।সে বিষণ্ণ হেসে বলল——এই হচ্ছে আমাদের বর্তমান সমাজের সংস্কৃতি!তারপর পারুর দিকে তাকিয়ে বলল——পারু, একটা প্রশ্ন বারবার আমার মনে জাগে। যার উত্তর আজও খুঁজে পাইনি। তুই কি পারবি সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে? তুই তো আমাদের শ্রেষ্ঠ বক্তা!পারু মৃদু হেসে বলল——আগে বল। চেষ্টা করে দেখব।যোবেদা ধীর কণ্ঠে বলল——পারু, তুই কি বলতে পারবি—বিয়ে কী? আর কেন হয়?পারু কিছুক্ষণ ভেবে বলল——যোবেদা, তোর এই কঠিন প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর হয়তো আমি দিতে পারব না। তবে সংক্ষেপে কিছু কথা বলতে পারি।দুই বান্ধবী মনোযোগ দিয়ে তার দিকে তাকাল।পারু বলল——বিয়ে হলো নারী ও পুরুষের বৈধ দাম্পত্য বন্ধন। দুটি মানুষ একে অপরের দায়িত্ব গ্রহণ করে, ভালোবাসা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি পরিবার গড়ে তোলে। এর সঙ্গে বংশবিস্তারও জড়িত। তবে শুধু সন্তান জন্ম দেওয়াই বিয়ের উদ্দেশ্য নয়; বরং স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক দায়িত্ব, ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও শান্তিও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।পারু একটু থেমে আবার বলল——আর তোর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর অনেক বিস্তৃত। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, আল্লাহ তাআলা হযরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর জন্য হযরত হাওয়া (আ.)-কে সঙ্গিনী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। মানবজাতির পরিবার ও বংশবিস্তারের সূচনাও সেখান থেকেই।সে মৃদু হেসে বলল——এবার বুঝে নে, বিয়ে শুধু একটি কাবিননামায় স্বাক্ষর করার নাম নয়। বিয়ে মানে দায়িত্ব, ভালোবাসা, বিশ্বাস, অধিকার এবং দুজন মানুষের একসঙ্গে পথচলার অঙ্গীকার।যোবেদা ও মুক্তা একসঙ্গে বলে উঠল——পারু, তোর মূল্যবান বক্তব্য আমাদের খুব ভালো লেগেছে। শুধু তাই নয়, আজ অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম। তোকে ভেরি ভেরি থ্যাংকস!মুক্তা হাত তুলে দোয়ার ভঙ্গিতে বলল——আল্লাহ তোকে গভীর জ্ঞান অর্জনের তৌফিক দান করুন।যোবেদা এবার বিষণ্ণ কণ্ঠে বলল——পারু, তোর বক্তব্য শুনে আমি আরও নিশ্চিত হলাম—শুধু দূরত্ব আর অর্থের জন্য যদি স্বামী-স্ত্রীকে বছরের পর বছর আলাদা থাকতে হয়, তাহলে এমন বিয়ে আমার কাছে খুব কষ্টের। আমার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে—এটা যেন পূর্ণাঙ্গ দাম্পত্য জীবন নয়; শুধু কাবিননামায় স্বাক্ষর করে একজন নারীকে ঘরের ভেতর অপেক্ষার জীবনে বন্দী করে রাখা।কথাগুলো বলতে বলতে যোবেদা ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ল।সে কিছুতেই এই বিয়েতে রাজি নয়।তার চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।পারু বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত তার হাত ধরে বলল——প্লিজ, যোবেদা! একটু শান্ত হও। বুঝতে পারছি, ব্যাপারটা খুবই সিরিয়াস। তুই ভয় পাস না। দেখি, এর একটা বিহিত করা যায় কি না।যোবেদা অশ্রুসিক্ত চোখে পারুর দিকে তাকিয়ে রইল।আর পারুর মনে তখন একটাই প্রশ্ন—কীভাবে রক্ষা করবে সে তার বান্ধবীকে এই অনিচ্ছার বিয়ে থেকে?চলবে...
0 Comments