# অপত্যাশিত_কথা#লেখিকা_নাদিয়া রিপাত রিতু#পর্ব -২লামিয়ার ভীষণ রাগ হতে লাগলো ছেলেটি এত কথা কিভাবে বলতে পারে পরীক্ষাতে না লিখে।লামহা প্রতিদিনের মতো আজকেও খাতা জমা দিয়ে চলে গেল।আর লামিয়া লিখতে লাগলো,পাশে বসা ছেলেটি শুধু কথা বলার চেষ্টা করতে লাগলো।লামিয়ার বাকি বান্ধবীরা ওকে ডাকতে শুরু করলো। অবশেষে পরীক্ষার সব লেখা শেষ করে লামিয়া বাইরে বান্ধবীদের কাছে গেল। বান্ধবীরা বললো এত কি লিখিস তুই ।মনে হয় পরীক্ষায় সবার থেকে বেশি তুই পাবি জয়ী আর আরু দুজনে বললো।আরু বললো, তোর পাশে ছেলেটার নাম কী রে?লামিয়া বললো, রহমান মনে হয় আমি পুরোটা জানিনা, আর জানতে ও চাই না।ছেলেটা যে বকবক করে আমার ভালো লাগে না।আরু বললো,তোর এত কিছু জানতে হবে না তুই ও ছেলেটার সাথে কথা বলবি না ও আমার ক্রাশ।আমার সাথে ওর কালকে ঝগড়া হয়েছে যদিও নাম জানিনা। প্রথম দেখায় লাভ অ্যান্ড ফার্স্ট সাইট হয়ে গেছে।তোকে ওর সাথে বসতে দেখে আমার কিভাবে জ্বলছে জানিস।লামিয়া, জয়ী বললো: কিরে কখন হলো এসব আমাদের তো একবার বললি না।আরু বললো, বলার সুযোগ পেলাম কই পরীক্ষা নিয়ে এত বিজি,আচ্ছা তাহলে এখন শোনকাল বারান্দায় এই ছেলেটা অন্য ছেলেদের বলছিলো আমাদের সাবজেক্ট নাকি সহজ; ওদের সাবজেক্ট নাকি কঠিন। তো আমি বললাম কোনো কিছু সহজ না আপনি বললে হলো।এক পর্যায়ে আমাদের দুজনের মাঝে ঝগড়া লেগে যায়।লামিয়া বললো, ওরা ছেলেদের মধ্যে কথা হচ্ছে সেখানে তুই কেন কথা বলতে গেলি পাগল নাকি তুই।আরু বললো, আমাদের সাবজেক্টকে অপমান করে কথা বলবে আর চুপচাপ দাঁড়িয়ে শুনবো।পরক্ষনেই হেসে বললো ছেলেটা দেখতে কোনো নায়কের চেয়ে কম না। লম্বা ফর্সা হাসিটা কত কিউট।লামিয়া অবাক হয়ে বললো, তুই মেয়ে হয়ে একটা ছেলের জন্য পাগল হয়ে যাচ্ছিস। তোর থেকে এটা আশা করিনি বান্ধবী।আরু বললো ,দূর আমি কি সত্যি সত্যি করতেছি নাকি।এমনে ভালো লাগছে। আচ্ছা লামু তোর এত জ্বলছে কেন তুই কি পছন্দ করিস নাকি ছেলেটাকে।লামিয়া বললো,ছেলেটাকে দেখলে আমার বিরক্ত লাগে।জয়ী বললো,লামু তোর সাথে কিন্তু মানাবে ।কলি বললো দূর থেকে এই তোমরা এখানে আমি তোমাদের খুঁজছি। লামিয়া তুমি এতক্ষণ ধরে কি লিখছিলে।বাড়ি যাবে কখন তোমরালামিয়া বললো,এইতো এখন চলে যাবো।জয়ী বললো,তোর জন্য অনেক দেরি হয়ে গেছে বাড়ি চল।বাড়ি আসার পর লামিয়া ভাবতে লাগলো ঐ ছেলেটাকে নিয়ে।(পরের পর্ব যদি পড়তে চান কমেন্ট করুন )
0 Comments