“স্কুলে তাকে ডাকা হতো ‘ল্যাংড়া অলকা’ বলে। কলেজে বন্ধুরা পিছনে ফিসফাস করত। বাসে উঠলে কেউ করুণা করে সিট ছেড়ে দিত, কেউ কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে থাকত। কিন্তু সে পড়াশোনা করেছে, নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। সে কারো করুণা চায়নি। আজও চায়না। অলকানন্দা বলল, বাবা তুমি কি চাইবে তোমার মেয়ে এমন একটা সংসারে যাক, যেখানে তাকে প্রথম দিন থেকেই লজ্জা হিসেবে ভাবা হয়?,আমি এমন একজন পুরুষকে বিয়ে করতে পারি না। কালো মেঘের ঘনঘটা সরিয়ে , আত্মপ্রত্যয়ী এক মেয়ে অনকানন্দার জীবনে তারপর কী হবে? নাকি সে এখানেই থেমে যাবে?
অলকানন্দা
“ল্যাংড়া মেয়ের সাথে আমাকে বিয়ে দিতে চাইছো তোমরা? ছি! লজ্জা করে না তোমাদের?” কথাগুলো ছুড়ে দেওয়া হলো ঘরের মাঝখানে একেবারে ছুরি ছোঁড়ার মতো। মুহূর্তেই কক্ষটিতে পিনপতন নীরবতা নেমে এলো।কারো মুখ দিয়ে কোনো শব্দ বেরোল না। যেন সবাই একসাথে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছে। একে অন্যের মুখ চাওয়াচাওয়ি করছে। অলকানন্দা মেঝের দিকে নির্লিপ্ত তাকিয়ে বসে আছে। সে চোখ নামিয়ে রেখেছে, কিন্তু চোখ ভেজেনি। কারণ এমন কথা সে নতুন শোনেনি! তার ডান পা সামান্য বাঁকা। অনেক ছোটবেলা থেকেই। হাঁটার সময় খেয়াল না করলে বোঝা যায় না, কিন্তু যারা বোঝার চেষ্টা করে তারা ঠিকই ধরে ফেলে। ছোটবেলা থেকেই সমাজে, স্কুলে, কলেজে, বাসে কত রকম দৃষ্টি, কত রকম ফিসফাস। কেউ করুণা দেখিয়েছে, কেউ বিদ্রুপ। তবে এসবে সে কখনও কান দেয়নি।কিন্তু আজ কথাটা এসেছে একেবারে মুখের ওপর। প্রকাশ্যে! সবাইকে সাক্ষী রেখে। কিন্তু এমন তো হওয়ার কথা ছিল না! ঠোঁট দুটো কেঁপে উঠল তার। মাত্র কদিন পরই যার সাথে তার বিয়ে হতে চলেছে সেই ব্যক্তিটি আজ একথা বলছে? ড্রয়িংরুমের মাঝখানে রাখা কাঁচের টেবিলটার ওপর সাজানো চায়ের কাপ থেকে ধোঁয়া উঠছে। দেয়ালে ঝোলানো ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে চলছে কিন্তু শব্দটা অস্বাভাবিক রকম জোরে লাগছে। অলকানন্দার বাবা আনোয়ার সাহেব প্রথমে বুঝতেই পারলেন না তিনি ঠিক কী শুনলেন! এক দুঃস্পর্কের আত্মীয় তার মেয়ের জন্য এই বিয়ের প্রস্তাবটি নিয়ে এসেছিল। পাত্র নাভানের বাবা তার ছোটবেলার বন্ধু। তার মেয়ের ব্যাপারে কথা উঠলে নাভানের বাবা অলকানন্দাকে তার ছেলের বউ করতে চান। কিন্তু আনোয়ার সাহেব কোনকিছু লুকোতে চাননি। তার মেয়ের পায়ে সমস্যা তাই সবকিছু আগেই বন্ধুকে জানিয়েছিলেন তিনি।। নাভান তখন বিদেশে ছিল। নাভানের মা নয়না চৌধুরী এবং দাদি এসে দেখেছিল অলকানন্দাকে। প্রথমে নাভানের মায়ের এ ব্যাপারে দ্বিমত থাকলেও অলকানন্দা কে দেখার পর তাদের ধারণা সম্পূর্ণ পাল্টে যায়। তিনি বিয়ের ব্যাপারে একেবারে পাকা আলাপ করে এসেছেন। মিসেস নয়না চৌধুরীর পছন্দই নাভানের পছন্দ তাই সবাই এ ব্যাপারে তার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে। কিছুদিন পূর্বে যখন নাভান দেশে এসেছে তখনই অলকানন্দার পরিবার চেয়েছিল তারা দুজন দুজনকে দেখুক, নিজেদের মত প্রকাশ করুক। তারপর না হয় সব হবে! সবকিছু জেনে বুঝেই হয়েছে। কিন্তু তারপরও এমন কথা কেন? নাভানের কথার পর ঘরে জমাট বাঁধা নীরবতা ভেঙে প্রথম শব্দটি বেরোল নয়না চৌধুরীর মুখ থেকে। — “নাভান! কী বলছো তুমি?” তার কণ্ঠে বিস্ময়, অপমান আর রাগ মিশে একাকার। নাভান ঠোঁট শক্ত করে দাঁড়িয়ে আছে। চোখে অদ্ভুত এক অস্থিরতা। যেন সে নিজেকেই সামলাতে পারছে না। — “আমি যা বলছি, সেটাই সত্যি মা। আমাকে না জানিয়ে, না জিজ্ঞেস করে সব ঠিক করে ফেলেছ তোমরা? আমাকে কি তোমাদের পুতুল মনে করেছ?” আনোয়ার সাহেব এবার ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালেন। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মানুষটি যেন মুহূর্তে আরও কয়েক বছর বয়স্ক হয়ে গেলেন। আনোয়ার সাহেব কাঁপা গলায় বললেন, —“তোমার বাবা আমার ছোটবেলার বন্ধু।তোমাদের পরিবারের সম্মান আছে বলেই আমি সব খোলাখুলি বলেছি। আমার মেয়ের পায়ে সমস্যা আছে এ কথা আমি লুকোইনি। তোমার মা, দাদি সবাই জানতেন। তোমার সাথে কথা হয়েছে বলেই তো আমরা এগিয়েছি!” নাভান ঝাঁঝালো গলায় বলল, — “জানতেন? কে জানতেন? আমি জানতাম না! আমাকে শুধু বলা হয়েছে, মেয়ে ভদ্র, শিক্ষিতা, সংসারী। আমাকে তারা এত ডিটেইলসে বলেনি যে মেয়ে একজন ল্যাংড়া, খুঁড়িয়ে হাঁটে !” নয়না চৌধুরী চমকে উঠলেন। —“ নাভান! এটা কী ভাষা?” নাভান বিরক্ত গলায় বলল,—“আমি সোজা কথা বলছি মা। সারাজীবন আমাকে এই মেয়েকে নিয়ে চলতে হবে। আমি কাউকে ব্যাখ্যা দিয়ে বেড়াতে চাই না।” —“ ব্যাখ্যা দিয়ে বেড়াতে হবে? সেটা ঠিক কোন ধরনের ব্যাখ্যা? একটু বুঝিয়ে বলবেন মিস্টার নাভান?” ঘরের সবাই অবাক হয়ে তাকাল অলকানন্দার দিকে। এই মুহূর্তে অলকার গলায় কোনো ভাঙন নেই। নাভান একটু থামল। রোষপূর্ণ গলায় বলল, —“ হ্যাঁ, হবে। সারাজীবন একজন ‘ল্যাংড়া’ মেয়ের স্বামী বলে আমাকে শুনতে হবে। ব্যবসায়িক মহলে, বন্ধুদের মধ্যে সব জায়গায় প্রশ্ন হবে।” অলকানন্দা শান্তভাবে উত্তর দিলো, —“ তাহলে আপনি এমন একজন স্ত্রী চান, যাকে দেখিয়ে গর্ব করতে পারবেন?” —“স্বাভাবিক চাওয়া,” ঠান্ডা উত্তর নাভানের। —“ স্বাভাবিক?” অলকার কণ্ঠ শান্ত, কিন্তু ধারালো। স্বাভাবিক মানে কী? দুই পা একদম সোজা, মুখ নিখুঁত, আর হাসি ফটোজেনিক?” নাভান বিদ্রুপ করে বলল, —\"তা জেনে আপনি কি করবেন! আর তাছাড়া আমি জানতে চাই আপনি এই অবস্থায় বিয়ে করে কীভাবে সংসার করবেন?” অলকানন্দা শান্তভাবে বলল, —“কোন অবস্থায়?” —“এই যে আপনি একজন ল্যাংড়া মেয়ে। খুঁড়িয়ে হাঁটেন, ভালো করে হাঁটতে পারেন না। আবার দেখতেও তেমন সুন্দরী নন। মা যে কি দেখে আপনাকে পছন্দ করেছে সেটাই আমি বুঝতে পারছি না।” নয়না চৌধুরী গর্জে উঠলেন। —“নাভান! তুমি এভাবে কেন কথা বলছো?” নাভান বিরক্ত স্বরে বলল, —“আমি বাস্তব বলছি মা! বিয়ে সারাজীবনের ব্যাপার। আমি কোনো সহানুভূতির প্রজেক্টে অংশ নিতে পারব না।” সহানুভূতির প্রজেক্ট! শব্দটা অলকানন্দার কানে ধাক্কা দিল। সে তাচ্ছিল্য হেঁসে বলল, —“আপনি কি আমাকে কোনো এনজিওর কেস স্টাডি ভাবছেন, মিস্টার নাভান?” নাভান থমকে গেল। অলকার দৃষ্টিভঙ্গি, দৃঢ়তা, এবং নিজের ভেতরের সম্মানের প্রতি অটল অবস্থান তার মনে গভীর ছাপ ফেলল। নাভান একটু থমকালো। তবে মুখে বিরক্তির ছাপ। বিদ্রূপাত্মক কণ্ঠে বলল, —“আমি যা বলেছি, পরিষ্কার বলেছি। ভুল কিছু তো বলিনি। বিয়ে তো আজীবনের ব্যাপার। বাস্তবতা তো মানতেই হবে।” —“একটা প্রশ্ন করি মিস্টার নাভান? আপনি যদি কোনো দুর্ঘটনায় পড়ে হুইলচেয়ারে বসে যেতেন, তখন কি আপনার বিয়ে হওয়া বন্ধ হয়ে যেত?” অলকানন্দার ঘরে যেন নীরবতা বয়ে গেল। নাভান কটমটে গলায় বলল, —“আমার সাথে তুলনা করবেন না।” —“কেন করব না? অলকার কণ্ঠ এবার ঠান্ডা। আপনি তো আমাকেই তুলছেন। ‘স্বাভাবিক’ আর ‘অস্বাভাবিক’ এই দুই ভাগে। ছোট থেকে লড়াই করে বড় হয়েছি। আমি নিজেকে কখনও কম ভাবিনি।\" অলকার চোখ এবার সরাসরি নাভানের চোখে। —“কিন্তু আজ বুঝলাম ,আপনি আমাকে কম ভাবছেন। শুধু হাঁটার ভঙ্গির জন্য।” নাভান ঠান্ডা গলায় বলল, —“আমি বাস্তববাদী।” অলকা মৃদু হাসল। —“না। আপনি সুবিধাবাদী।” শব্দটা ধীরে উচ্চারিত হলো। কিন্তু আঘাতটা ছিল তীক্ষ্ণ। নাভান অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, —“আপনি কিন্তু বেশি বাড়াবাড়ি করছেন অলকানন্দা! ল্যাংড়া একটা মেয়ে আপনি। আপনার কোন যোগ্যতা নেই আমার স্ত্রী হওয়ার। আর আপনি আমাকে বিদ্রূপ করছেন কোন সাহসে? হাহা হা ... আপনাকে একটা কানা লোক দেখেও তো পছন্দ করবে না। অলকানন্দা এবার ধীরে, স্পষ্ট করে বলল, —“আপনি আমাকে বিয়ে করতে চান না,এটা আপনার অধিকার। কিন্তু আমাকে অপমান করার অধিকার আপনাকে কেউ দেয়নি।” নাভান গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলল, —“আমি অপমান করিনি, শুধু সত্যিটা বলেছি।” এক মুহূর্তে অলকার মুখ শক্ত হয়ে গেল। —“ল্যাংড়া মেয়ে’ শব্দটা কি আপনার অভিধানে প্রশংসাসূচক?” অলকানন্দা এবার আরও একধাপ এগিয়ে এল। —“আপনি ভাবছেন, আমাকে বিয়ে করলে সমাজ হাসবে? আপনার বন্ধুরা মজা করবে?” অলকানন্দা সামান্য মৃদু হাসল। —“যে পুরুষ নিজের সিদ্ধান্তে দাঁড়াতে পারে না, তাকে নিয়েই সমাজ হাসে, মিস্টার নাভান চৌধূরী। স্ত্রী খুঁড়িয়ে হাঁটে বলে নয়।আমার পায়ে সমস্যা আছে। কিন্তু আপনার মেরুদণ্ডে সমস্যা আছে সেটা আজ বুঝলাম।” কথাটা নাভানের গায়ে ছুরির মতো গিয়ে বিঁধল। নাভান কটমট করে বলল, —“অলকানন্দা, আপনি সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।আমি শুধু নিজের মতামত বলেছি।” অলকানন্দা শক্ত গলায় বলল, —“মতামত আর অসম্মানের মধ্যে পার্থক্য আছে মিস্টার নাভান। আপনি সেটা জানেন না বলেই এইভাবে কথা বলছেন। সমাজের দোহাই দিয়ে মানুষকে ছোট করা সবচেয়ে সহজ কাজ! কিন্তু মানুষ হওয়া সবচেয়ে কঠিন! আমি খুঁড়িয়ে হাঁটি, ঠিক। কিন্তু আমি মাথা নত করে বাঁচতে শিখিনি।” তার গলায় কাঁপন নেই। অলকানন্দা একটু দম নিয়ে আবারও বলল, —“আর একটা কথা মনে রাখবেন,শারীরিক অসম্পূর্ণতা মানুষকে ছোট করে না। মানসিক সংকীর্ণতা মানুষকে ছোট করে!\" নাভানের চোখে রাগ জ্বলে উঠল। কিন্তু নাভান এখনও অহংকারে দাঁড়িয়ে রয়েছে। নাভান তীক্ষ্ণ গলায় বলল, —“আমি এই বিয়ে করছি না।” কিন্তু তারপর যেন অলকানন্দার কথায় রুমের ভেতর বজ্রপাত হল। —“আজ যদি এই বিয়ে না হয়,তাহলে সেটা আপনার সিদ্ধান্ত নয় মিস্টার নাভান চৌধূরী। এটা আমার সিদ্ধান্ত! মানে আমি আপনাকে রিজেক্ট করছি।” মুহূর্তেই অপমানে নাভানের মুখের রং পাল্টে গেল। এক মুহূর্তের জন্য কেউ কিছু বুঝতে পারল না। সবাই বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে রয়েছে। অলকানন্দা উঠে দাঁড়াল। হাঁটার সময় তার সামান্য খুঁত আছে।কিন্তু তার দাঁড়ানোর ভঙ্গিতে একফোঁটা দুর্বলতা নেই। —“এই বিয়ের ব্যাপারে আমার মতামত কেউ জানতে চেয়েছে? চায়নি! আমি শারীরিকভাবে পুরোপুরি নিখুঁত নই। কিন্তু আমি মানসিকভাবে ভাঙা নই। তাই আমিও পরিষ্কার করে বলছি,আমি এমন একজন পুরুষকে বিয়ে করতে পারি না,যে শারীরিক অসম্পূর্ণতাকে চরিত্রের অসম্পূর্ণতা ভাবে। এমন নিচু মন মানসিকতার মানুষকে আমি কখনোই বিয়ে করবো না”। পুরো ঘর নিস্তব্ধ। চায়ের কাপের ধোঁয়া তখনও উঠছে। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করছে। কিন্তু সময় যেন থেমে গেছে। আনোয়ার সাহেব কাঁপা গলায় বললেন, “মা—” —\"না বাবা, আজ আমাকে বলতে দিন।” — “সমাজ আপনার কানে কী বলবে, সেটা আপনার চিন্তা। কিন্তু আমি সারাজীবন কী শুনে বড় হয়েছি, জানেন?” সে হালকা হাসল, তীব্র অথচ সংযত। — “স্কুলে আমাকে ডাকা হতো ‘ল্যাংড়া অলকা’ বলে। কলেজে বন্ধুরা পিছনে ফিসফাস করত। বাসে উঠলে কেউ করুণা করে সিট ছেড়ে দিত, কেউ কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে থাকত। কিন্তু আমি পড়াশোনা করেছি, নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। আমি কারো করুণা চাইনি। আজও চাই না।” সে সরাসরি নাভানের চোখে তাকাল। — “ কেউ যদি মনে করে আমি তার সম্মানের বোঝা হব, তাহলে এ বিয়ে কখনও হতে পারে না। কারণ বিয়ে দয়া করে হয় না, সম্মান দিয়ে হয়।” অলকানন্দা বাবার কাঁধে হাত রাখল। শান্ত গলায় বলল, —“বাবা, তুমি কি চাইবে তোমার মেয়ে এমন একটা সংসারে যাক, যেখানে তাকে প্রথম দিন থেকেই লজ্জা হিসেবে ভাবা হয়?” আনোয়ার সাহেব অনকানন্দার কথার কোন জবাব খুঁজে পেলেন না। তার সামনেই তার মেয়েকে ছোট করা হয়েছে অথচ তিনি কিছুই বলতে পারছেন না। তার নিজেকে ভীষণ ব্যর্থ বাবা মনে হচ্ছে। ছোট থেকেই তার ফুলের মতো মেয়েটি সবসময় একাই লড়ে গিয়েছে সমাজের সাথে। তিনি আর ভাবতে পারছেন না। তিনি লজ্জিত ভাবে মাথা নিচু করে রইলেন। অলকানন্দা নাভানের দিকে ঘুরল। —“বাবা,আমি আজ এখানেই এই বিয়ে বাতিল করছি। এখনই! লিখিত কাগজ লাগলে দেবো। আত্মীয়দের জানাতে হলে জানাও। কিন্তু আমার জীবনে করুণা বা অপমানের জায়গা নেই এটাই আমার শেষ কথা।” কালো মেঘের ঘনঘটা সরিয়ে , আত্মপ্রত্যয়ী এক মেয়ে অনকানন্দার জীবনে তারপর কী হবে? নাকি সে এখানেই থেমে যাবে? #অলকানন্দার সুবাস #লেখনীতে : বনলতা রাহমিন #সূচনাপর্ব বিঃদ্র:নায়িকার চরিত্র অনেক স্ট্রং হবে .......... এহেম! বাকিটা আপনারাই দেখতে পারবেন ধীরে ধীরে ইংশাআল্লাহ।
0 Comments