রাত সাড়ে বারোটা। পুরনো হাসপাতালের করিডোরে লাল বাতির নিচে দাঁড়িয়ে আছে মৌসুমি। চোখ দুটো ফুলে নীল, হাতে শক্ত করে চেপে ধরা মোবাইল। মাঝে-মধ্যে ফোন কেঁপে উঠছে—কেউ না, শুধু বিজ্ঞাপন বার্তা। তবু সে প্রত্যেকটা তন্ময় হয়ে দেখে, যেন ছেলেটার নাম ভেসে উঠবে।তার ছেলে—রাফি। বয়স মাত্র বিশ। সেদিনও হেসে বলেছিল,“মা, আমি কাজটা না করলে আমাদের বাড়িটার ঋণ কোনদিন শোধ হবে না।”মৌসুমি বলেছিল,“তুই রাতের শিফটে যাবি না, খুব ঝুঁকি।”রাফি মাথা নেড়ে বলেছিল,“ঝুঁকি না নিলে আমাদের জীবনটাই তো থমকে আছে, মা।”
0 Comments