অলৌকিক মনেহলেও সবকিছু অলৌকিক না। সবকিছুর পেছনে মুলত মানুষই থাকে।
শাপে বর
সদ্য উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পদার্পণ করেছে রাফি। স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় তার বাবা তার অনেকদিনের আবদার পুরন করে একটি দূরবীন কিনে দিয়েছেন।রাফির আকাশে তারা দেখবার শখের কথা তার বাবার জানা। ছোটোবেলায় আকাশের তারা দেখার জন্য দূরবীন চাইলেও যৌবনে এসে দূরবীন ব্যবহারে পরিবর্তন এনেছে রাফি।প্রতি রাতে সে তার জানালা থেকে আশেপাশের বিল্ডিং এ কি হচ্ছে তা দেখে। অনেক মেয়ের কাপড় বদলানোর দৃশ্য কিংবা কোনো অসতর্ক স্বামী স্ত্রীর মিলন দেখে নিজের বিকৃত লালসা মেটায় সে। তেমনই একদিন দূরবীন নিয়ে বসেছে রাফি।ঘড়িতে তখন বাজে রাত ১২ টা।রাফি তার ঘরের বারান্দা হতে তার দূরবীন দিয়ে সামনের এপার্টমেন্টের জানালাগুলোই উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। হঠাৎ তার চোখ গেলো চতুর্থ তলার ডান পাশের ফ্ল্যাটটির দিকে, এক মেয়ে সদ্য গোসল থেকে বেরিয়ে গায়ে টাওয়াল পেঁচিয়ে চুল মুছতে ব্যস্ত। সে কিছুক্ষণ দেখে এবার উপরের তলায় দূরবীন সরালো, সেই বাসার আন্টি তার বেডরুমে কাপড় চেঞ্জ করছে। সে এবার দূরবীনটি নিয়ে গেলো ডান পাশের সর্বশেষ ফ্ল্যাটটির দিকে। থাই গ্লাস লাগানো ছিলো জানালায়, কিন্তু ভেতরে লাইট জালানো থাকার কারনে সবই দেখা যাচ্ছে। এই ফ্ল্যাটের জানালার দিকে দূরবীন দিয়ে দেখতেই রাফির ভ্রু কুঁচকে গেলো। কৌতুহলী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে। সে দেখতে পেলো, একটা মেয়ের জামা কাপড় ছেড়া, বিছানায় গা এলিয়ে হাত পা ছুড়ছে মেয়েটি। বাহির থেকে দেখে মনে হচ্ছে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করছে, আর মেয়েটি নিজেকে ছাড়ানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছে। কিন্তু পারছেনা। সবচেয়ে অস্বাভাবিক জিনিস যা রাফি কে এই মূহুর্তে অবাক করছে তা হলো, মেয়েটি বিছানায় সম্পূর্ণ একা। মেয়েটির উপর বা আশেপাশে কেউই নেই। তাহলে মেয়েটি এমন আচরন কেনো করছে যে কেউ তাকে রেপ করছে! অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলো, মেয়েটি এখনো বিছানায় কাতরিয়ে কাতরিয়ে দাঁতের সঙ্গে দাঁত গিজে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো অদৃশ্য বস্তু যেনো তাকে ছাড়ছেই না। তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু এটা তো অসম্ভব।রাফি তার দূরবীন দিয়ে শুধু মেয়েটিকে দেখছিলো, আশেপাশে আর কেউ নেই। কিন্তু মেয়েটির হাবভাব দেখে লাগছে, কেউ তার সাথে জবরদস্তি করছে।কিন্তু কোনো অদৃশ্য বস্তু কেমনে রেপ করবে? রাফি কখনো ভাবতেই পারেনি যে একদিন তার এমন কিছু দেখতে হবে। সে ভয়ে কাউকে কিছু বলতেই পারছেনা। থরথর কাঁপছে তার পুরো দেহ। ঘামে ভিজে একাকার সে। আর এক মূহুর্তও বারান্দায় না দাঁড়িয়ে বাসায় এসে শুয়ে পড়লো রাফি। তিনদিন থেকে ইলমির কোনো খোঁজ নেই। হ্যা, সেদিন রাতে রাফি যে মেয়েটিকে দেখেছিলো তার নাম ইলমি। ইলমি বাসায় একা থাকতো। তাই সে কোথায় গিয়েছে কারো কাছেই কোনো ক্লু নেই। সে এপার্টমেন্টের মালিক সাত্তার সাহেব এসে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মিসিং রিপোর্ট করালেন, আর ইলমির পরিবারকে জানিয়ে দিলেন সবকিছু। কেউই জানেনা ইলমি কোথায় গিয়েছে। পুলিশ তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেও ইলমির কোনো হদিস পায়নি। এই ঘটনার প্রায় ছ\'মাস হয়ে গেলো। ইলমিকে এখনো পাওয়া যায়নি। এতদিনে পুলিশ স্টেশনে পড়ে থাকা ইলমির মিসিং ফাইলটি গায়ে ধুলো মাখতে মাখতে টেবিলের তলানিতে পড়ে গিয়েছে। ইলমির ফ্ল্যাটটিকেও সিল্ড করে দিয়েছে পুলিশ। সবাই ভুলে গিয়েছে ঘটনাটি কিন্তু ভুলেনি রাফি। কারন সে ঐদিন রাতে ইলমিকে এক অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখেছিলো। কিন্তু সে এসবের ভিতরও তার দূরবীন দিয়ে মানুষের বাসায় উঁকিঝুঁকির অভ্যাসটা ছাড়েনি।কামের তাড়না এড়িয়ে যাওয়া খুব কম মানুষের পক্ষেই সম্ভব হয়। রাফি সবকিছু ভুলে পুনরায় তাঁকঝাক করা শুরু করে মানুষের বাসায়। বিভিন্ন দৃশ্য দেখে পৈশাচিক আনন্দও লাগছে তার। হঠাৎ সে দূরবীনটা বামপাশে নিয়ে যাওয়ার সময় কিছু একটা দেখে থেমে গেলো। আবারো সেই দৃশ্য। এবার ঘটনাটি ঘটছে সপ্তম তলায়। মেয়েটির অবস্থাও ইলমির মতো। শারীরিক ভাষাও একই। কেও যেনো তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এবারো মেয়েটি বিছানায় একা, আর কেউ নেই। কিন্তু দেখে লাগছে মেয়েটি তার শরীরের উপর থেকে ভারী কিছু সরানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু পারছেনা। পা দুটো পাগলের মতো উপর নিচে করতে লাগলো। কিন্তু উঠতে পারছেনা সে। এই নিয়ে দুবার রাফি সরাসরি এই দৃশ্য দেখছে। এবারো সে কাউকে কিছু না জানিয়ে চুপচাপ ঘরে এসে শুয়ে পড়ে। সে ভয়ে কাউকে কিছু জানাচ্ছে না।সবে মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছে।সামনে পুরো জীবন পড়ে আছে। ক্যারিয়ারের এই সময়ে সে কোনো ধরণের পুলিশের ঝামেলায় পড়তে চায়না।কিন্তু এসব দেখার পর তার মধ্যে কেমন একটা ভয়ভীতি কাজ করা শুরু করে। অস্বাভাবিক ভাবে ভয় ভয় চেহারা নিয়ে চলাফেরা করতো সে। এবারো প্রায় ৪/৫ দিন হয়ে গেলো। নিঁখোজ সপ্তম তলার কুহেলি। হ্যা, সেই মেয়েটির নাম কুহেলি। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় বার এই এপার্টমেন্টের মেয়ে নিঁখোজ হয়েছে। এবার এই কেসের প্রতি নজর পড়েছে উপরের কর্মকর্তাদের।এ ধরণের কেস সমাধানে সব সিনিয়রদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে থাকেন ওসি নির্জন। এবারো তার ব্যাতিক্রম কিছু ঘটলো না। নির্জন কে ইনচার্জ করা হলো এই কেস এর। কিন্তু এবার নির্জনের সাথে এই কেস এর দায়িত্ব দেয়া হলো নবনিযুক্ত সাব ইন্সপেক্টর চয়ন কে। ওসি নির্জন সর্বপ্রথম ইলমির কেসটিকে রি-ওপেন করলেন।তারপর চয়ন কে নিয়ে সাত্তার সাহেবের এপার্টমেন্টে গিয়ে কুহেলির ফ্ল্যাট আর ইলমির ফ্ল্যাটে গিয়ে ভালোভাবে দেখলেন সবকিছু। কিন্তু কোনো ক্লু ই পেলোনা তারা। নির্জন সেই এপার্টমেন্টের লোকজনের কাছ থেকে কোনোভাবে ইলমি আর কুহেলির ছবি সংগ্রহ করলেন। তারপর সাত্তার সাহেবের সাথে দেখা করলেন নির্জন। সাত্তার সাহেবের কথামতে খুবই ভদ্র ছিলো মেয়ে দুটি। কোনো ধরণের প্রেম-ভালোবাসার মধ্যেও ছিলোনা এরা, আর কেউ কখনো তাদের ফ্ল্যাটে কোনো পুরুষ লোককেও দেখেনি। নির্জন কথা বলতে থাকা অবস্থায় সাব ইন্সপেক্টর চয়ন সাত্তার সাহেবের বাসাটি ভালোভাবে দেখছিলো।তখন সে দেয়ালে একটা মহিলার ছবি দেখল। বয়স সম্ভবত ২৮ বা ২৯ । দেয়ালে লাগানো, আর ছবির উপর মালা। বোঝাই যাচ্ছে মৃত কারো ছবি। চয়ন কৌতুহলবসত জিজ্ঞেস করলেন, -- এটা কার ছবি? সাত্তার সাহেব খানিক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, ~ আমার ছেলের বউ তুলনার। আমার একমাত্র ছেলের স্ত্রী। মারা গিয়েছে গতবছর। ছেলের সাথে কথা কাটাকাটি নিয়ে আত্মহত্যা করেছিলো সে। - ওহ আচ্ছা -আপনার ছেলে এখন কোথায়? ~আমার ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকে।সেখানেই একটি গবেষণাগারে অফিসের হিসাব বিভাগে চাকুরি করে। তুলনা মারা যাবার পরে আর দেশে আসেনি সে। সাত্তার সাহেবের সাথে কথা বলে নির্জন অনেকটা নিরাশ হয়েই ফিরলেন অফিসে। কারন তিনি ভেবেছিলেন তিনি সাত্তার সাহেবের থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো ক্লু পাবেন।এ দুটি হত্যাকান্ড শহরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।পুলিশ কেন এর সুরাহা করতে পারছে না এ নিয়ে মিডিয়া সমালোচনা শুরু করে দেয়। পুলিশের উপরমহলের কর্মকর্তারা ওসি নির্জন কে চাপ দেয়।ওসি নির্জন পড়ে যান ভীষণ বিপদে। কেটে যায় আরও দু\'মাস। শত চেষ্টা করেও এই দুটি ঘটনা ভুলে নিজেকে স্বাভাবিক করতে পারছেনা রাফি।একদিন আর এসব কথা নিজের ভেতরে আটকে রাখতে না পেরে সে ঘটনা দুটি বলে তার সবথেকে কাছের বন্ধু মিনহাজ কে। রাফিদের ডিপার্টমেন্টে সবথেকে করিতকর্মা ছেলে হলো মিনহাজ।শুধু একাডেমিক পড়াশোনাতেই যে সে ভালো তা না,পাশাপাশি সে হাজার হাজার বই পড়ে।ইন্টারনেট ঘেটে সবসময় নিজেকে আপডেট রাখে প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সাথে। রাফির মুখে সব শুনে মিনহাজ প্রথমেই বলে দিলো এখানে অতিপ্রাকৃত কিছু নেই।এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে এমন কোনো ধোকা যা কেড়ে নিচ্ছে অসহায় মেয়েগুলির প্রাণ। রাফিকে সাথে নিয়ে মিনহাজ দেখা করে ওসি নির্জনের সাথে। তাদের কথা শুনে নির্জন সাব ইন্সপেক্টর চয়ন কে বলে এই দুটি কেস ফাইল আবার ওপেন করতে। মিনহাজও বসে না থেকে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের সবথেকে বড় সাইন্স ফিকশন লেখক ড. রাফিয়া জান্নাত এর সঙ্গে। ড. রাফিয়া তাদের থেকে দুদিন সময় নেন। এই দুদিন ড.রাফিয়া তার চেনাজানা অনেক লেখক ও বিজ্ঞানীদের সাথে বিষয় টি নিয়ে আলোচনা করে জানতে পারেন অবাক করে দেয়া তথ্য।আর বিলম্ব না করে সে যোগাযোগ করে মিনহাজের সঙ্গে। ওসি নির্জনও তখন সেখানেই ছিলেন। ড.রাফিয়া বলেন \"ছদ্মবেশে অদৃশ্য হওয়ার কাপড় উদ্ভাবন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকরা। এই কাপড়ে রয়েছে ছোট ছোট লাইট সেন্সিং সেল, যা প্রতিপক্ষের দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য হওয়ার সুবিধা দিতে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে পোশাকের রং পরিবর্তন করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহারে ইতোমধ্যে সফলও হয়েছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী।এই কাপড় পরলে তখন আর ওই ব্যাক্তিকে দেখা যাবে না\"। ব্যাস! এতক্ষণে পরিস্কার হলো যে কিভাবে মেয়ে দুটি কে রেপ করে খুন করা হয়েছে। কিন্তু এই কাপড় তো আবিস্কার করেছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সেনাবাহিনীর জন্য।বাংলাদেশে কিভাবে এলো এই কাপড়? ওসি নির্জনের দুশ্চিন্তার অবসান ঘটালো সাব ইন্সপেক্টর চয়ন। সে বললো বাড়ির মালিক সাত্তার সাহেবের ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে একটি গবেষণাগারে কাজ করে। হতে পারে সেই দায়ী এসবের জন্য। ওসি নির্জনের আর দেরি না করে ব্যবস্থা করেন সাত্তার সাহেবের বাসার সার্চ ওয়ারেন্টের।এরপর সাত্তার সাহেবের বাসায় রউনা দেন নির্জন ও চয়ন। তাদের সাথে যায় রাফি এবং মিনহাজও। সাত্তার সাহেব এবার ঘাবড়ে যান তাদের কে দেখে।পুরো বাসা তল্লাশি চালিয়ে আলমিরার ভেতরে গোপন কামরায় প্রবেশের দরজা খুঁজে পান ওসি নির্জন।সেখানেই দেখা মেলে বিশেষ ভাবে বস্তু সংরক্ষণের একটি ব্রিফকেস।যার মধ্যে আবিস্কার হয় অদৃশ্য হতে পারার পোশাক। বাঁচার পথ না পেয়ে সাত্তার সাহেব নিজের দোষ স্বীকার করে সব খুলে বলেন।সাত্তার সাহেবের ছেলে শুভ যে গবেষণাগারে কাজ করে সেখানেই বানানো হয়েছিল এই বিশেষ পোশাক।শুভর সাথে সবসময়ই তার বউয়ের ঝগড়া লাগতো।কারণ শুভ ছিলো পর নারীতে আশক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে বিসিএস দিয়ে ফরেন ক্যাডারে জব হয় শুভর।সেই সুবাদে বিদেশে এসে দেশের চাকুরী ছেড়ে দিয়ে গবেষণাগারে উচ্চ বেতনে অফিশিয়াল চাকুরী করতো সে। তার পরনারী চর্চার খবর গোপন থাকেনা স্ত্রী তুলনার কাছে। এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো তাদের।তেমনই একসময় তিন মাসের ছুটিতে দেশে আসে শুভ। দেখতে হ্যান্ডসাম এবং এত ভালো চাকুরির কারণে শুভর কু প্রস্তাবে সাড়া দেয় ইলমা ও কুহেলি। এই ঘটনা তুলনা জেনে গেলে সে শুভর বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেয়।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুভ সাথে করে নিয়ে আসা সেই অদৃশ্য হওয়ার ড্রেস পরে হত্যা করে তুলনা কে।এবং সেই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে বেশি বেগ পেতে হয়না তাকে।সবকিছুই জানতেন সাত্তার সাহেব।কিন্তু সে নিজের ছেলের দোষ না দেখে এসবের জন্য দায়ী মনে করতেন ইলমা ও কুহেলি কে। এই দুটো মেয়ের প্রলোভনের কারণেক কারণেই তার ছেলে স্ত্রী কে হত্যা করে একেবারে দেশ ছেড়ে চলে গেছে। এই রাগে সে নিজেও সেই বিশেষ পোশাক পড়ে প্রতিশোধের বসে হত্যা করে ইলমা ও কুহেলি কে। চাঞ্চল্যকর কেসের সমাপ্তি ঘটে।সাত্তার সাহেব কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার ছেলে শুভ কেও গ্রেফতার করে দেশে আনার প্রকৃয়া চলছে। ওসি নির্জন বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ দেন মিনহাজ এবং লেখিকা ড.রাফিয়া কে। অতিপ্রাকৃতর ভয় থেকে নিস্তার পেলেও কিছু টা মন খারাপ রাফির। অবৈধ ভাবে অন্যদের ফ্ল্যাটে উঁকিঝুকি করার অপরাধে তার দূরবীন বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তবে সাব ইন্সপেক্টর চয়ন বললেন রাফির ছোটো অপরাধের জের ধরেই কিন্তু এতবড় একটা কেস সলভ করা সম্ভব হয়েছে। একেই বুঝি বলে শাপে বর। লেখায়- আসিফ খন্দকার। সম্পাদক, কালিহাতীর সাহিত্যাঙ্গন। দক্ষিণ বেতডোবা, কালিহাতী, টাংগাইল।
0 Comments