কি হলো? কিছু বলছো না যে...কি বলবো...ছবিটা কেমন হয়েছে...ভালোই হয়েছে...ভালো কি বলছো?বলো অনেক ভালো হয়েছে...নাক, মুখ,চোখ সবই তো পারফেক্ট এঁকেছি... কিন্তু...কিন্তু কি?ঠোটৈর কোণের হাসিটা মিসিংতুমি আর আমার কত ছবি আঁকবেযতক্ষণ না পর্যন্ত তোমার ছবি পারফেক্ট হচ্ছে... আফটার অল তুমি চিত্রশিল্পী তামিম হোসেনের ওয়াইফ... আমার সবকিছু... আমার জীবনের রানী...এতো ভালোবাসো আমাকে...অনেক ভালোবাসি...এত ভালোবাসো যখন তখন আমাকে ...এই জানো এই পেইন্টিং টার নাম কি...কি...\"শিল্পশৈলী\"...নামটা সুন্দর...সুন্দর তো হবেই...কারণ আমার শৈলীকে আমি আমার শিল্পসত্বা দিয়ে এঁকেছি...কি হলো... কারেন্ট চলে গেলো কেন? তুমি ভয় পেয়ো না শৈলী... আমি জানি তুমি অন্ধকার ভয় পাও...একি... আগুন লাগলো কিভাবে?সব পূড়ে যাবে তো..আজ তুমি মরবে...আমার প্রতিশোধ পূর্ণ হবে...না... শৈলী... না...তার পরদিন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী তামিম হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।বাড়ির দেয়ালে একটি কঙ্কাল পাওয়া যায়...পরে পোষ্টমর্টেম করে জানা যায় লাশটি তার ওয়াইফ শৈলীর... তামিম হোসেন তার ওয়াইফকে মেরে দেয়ালে পুঁতে দেয়...পরে অনুশোচনায় সবকিছু জ্বালিয়ে দেয়... সবকিছু পুড়ে গেলেও একটি পেইন্টিং অক্ষত থাকে... পেইন্টিংটার নাম \"শিল্পশৈলী\"...পরে সেটা মিউজিয়ামে দিয়ে দেয়া হয়... কিছুদিন পর...আজ এলভিস আহমেদ খুব খুশি।এত সুন্দর একটা পেইন্টিং কিনেছে আর নামটাও চমৎকার...\"শিল্পশৈলী\"...পেইন্টিংটা সে তার বেডরুমের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখলো...গভীর রাত। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায় এলভিসের। কিসের আওয়াজ...সে তো একাই থাকে...তাহলে...হঠাৎ সে দেখে এক নারী তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে...আমি অনেক সুন্দর তাই না...গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠে এলভিসের। কারণ নারী যতটা না সুন্দর তার চেয়েও ভয়ঙ্কর তার ঠোঁটের কোণে থাকা হাসি...যেখানে বিদ্যমান এক অদ্ভুত ধরণের পৈশাচিকতা...এলভিস আহমেদকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তার কোনো সন্ধান করতে পারেনি...তার সাথে অদ্ভুত ভাবে মিসিং \"শিল্পশৈলী\"নামক পেইন্টিংটা...
Splendid