রাতটা ছিল অস্বাভাবিক নীরব। আকাশে চাঁদ ছিল না, কেবল কালো মেঘে ঢাকা আকাশ আর মাঝেমধ্যে বাতাসে কাঁপতে থাকা তালগাছের ছায়া। গ্রামের শেষ প্রান্তে পুরোনো বাঁশঝাড়ের পাশে একটা কাঁচা পথ। সেই পথ দিয়ে খুব কম মানুষই রাতে হাঁটে।রতন হাঁটছিল ধীরে ধীরে। তার মুখে আগের মতো উদ্ধত ভাব নেই। কয়েক মাস ধরে সে বদলে গেছে। কিন্তু তার বুকের ভিতর একটা দহন সবসময় জ্বলে—রুমেলার স্মৃতি।রুমেলা…যে মেয়েটাকে সে একদিন নিজের লালসায় নষ্ট করেছিল।পরের দিন ভোরে খবর এসেছিল—রুমেলা আর নেই। নিজের ঘরের আড়ার সাথে গলায় দড়ি দিয়েছে।সেই খবর শুনে রতনের বুকের ভেতর প্রথমবারের মতো কাঁপন ধরেছিল। কিন্তু তখন আর কিছু করার ছিল না। গ্রামের মানুষ তাকে সন্দেহ করলেও প্রমাণ পায়নি।তারপর থেকেই রতন আর আগের মতো ছিল না।
0 Comments