চাঁদের আলোয় ভেজা সেই পুরনো শিমুলতলা শ্মশানে সবাই জানে—ভয়ংকর এক ভুত থাকত, নাম মামদু ভুত।সে ছিল কিংবদন্তি! মানুষ দেখলেই ‘হুঁউউউ’ করে চিৎকার, বাতাসে উড়ে বেড়ানো, রাতের আধারে কবরের উপর বসে বাঁশি বাজানো—সবই তার দৈনন্দিন কাজ।কিন্তু এ গল্প মামদু ভুতের নয়।এ গল্প তার নাতি ভুত—টুকুকে নিয়ে।টুকু ভুত একেবারেই মামদু ভুতের মতো নয়।সে দুষ্ট, কিন্তু ভয়ংকর নয়—বরং ভীষণ মজার।মামদু ভুত রাতে মানুষ ভয় দেখাত,আর টুকু ভুত রাতে—কারও ঘরের চালের উপর নেচে নেচে ঢং ঢং শব্দ করে,কারও গরুর লেজে গিঁট বেঁধে দেয়,আবার কারও পুকুরে ঢিল ছুঁড়ে বলে,“ভুত না—ব্যাঙ ছিলাম!”গ্রামের লোকজন ভয় না পেয়ে বরং হাসে।একদিন মামদু ভুত রেগে গেল।“এই টুকু!
0 Comments