দেউলচর গ্রামে ঢোকার আগে শেষ যে মোড়টা, সেখানে একটি ভাঙা সাইনবোর্ড ঝুলে ছিল। তাতে লেখা—“সূর্যাস্তের পর ফিরিয়া যাইবেন।”অদ্ভুত ব্যাপার হলো, লেখার নিচে খোদাই করা ছিল কয়েকটি নাম। সময়ের ঘষায় মুছে গেছে প্রায় সব, শুধু একটি নাম স্পষ্ট—কালো জলঘড়ি! আমি তখনো জানতাম না, দেউলচর নামের এই গ্রামটি আসলে সময়ের বাইরে পড়ে থাকা একটি ফাঁদ।গ্রামে ঢুকতেই প্রথম যে বিষয়টা চোখে পড়ল, সেটা হলো—ঘড়ি নেই। দোকানে নেই, ঘরে নেই, এমনকি মসজিদেও না। অথচ মানুষ ঠিক সময়েই সব কাজ করে। দুপুরে রান্না, মাগরিবে আলো, গভীর রাতে নিস্তব্ধতা।আমি একজন লোককে জিজ্ঞেস করেছিলাম,— “সময় জানেন কীভাবে?”সে আমার চোখের দিকে না তাকিয়ে বলেছিল,
0 Comments