তুষারের “ক্ষুধার অন্ধকার” কবিতায় ক্ষুধাকে শুধু পেটের শূন্যতা নয়, বরং হাড়-মজ্জায় ঢুকে যাওয়া অমানবিক যন্ত্রণার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ক্ষুধা মানুষকে হাত পাততে বাধ্য করে, অথচ তৃপ্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই। শহরের আলো বাইরের অন্ধকার দূর করলেও অন্তরের অন্ধকার অমলিন থেকে যায়। ক্ষুধা মানুষকে ভালো করে না, বরং নিচে নামিয়ে আনে—যেখানে আত্মার কোনো দাম নেই, কেবল রুটির দামই সব।
0 Comments